বিজ্ঞাপন
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রকৃতির সুরক্ষায় ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে নতুন অঙ্গীকার

জাগো বাংলাদেশ ২৪
জাগো বাংলাদেশ ২৪ ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ পিএম
বিজ্ঞাপন
প্রকৃতির সুরক্ষায় ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে নতুন অঙ্গীকার পড়েছেন ৪ জন

প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৩০ সালের বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে শুক্রবার জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলনে প্রায় ২০০টি দেশ দীর্ঘ আলোচনার পর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। আর্মেনিয়ায় অনুষ্ঠিত কপ-১৭ সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল প্রকৃতির ধ্বংস বন্ধ ও পুনরুদ্ধারে ২০৩০ সালের মধ্যে অগ্রগতি নিশ্চিত করার ঐতিহাসিক অঙ্গীকারকে নতুন করে গতিশীল করা। জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছিল যে স্থলভাগ ও সমুদ্রের ৩০ শতাংশ সংরক্ষণসহ এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রগতি যথেষ্ট নয়।

শুক্রবার রাত পেরিয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত চলা সম্মেলনে সময় যত গড়িয়েছে, আলোচনা ততই তিক্ত হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে উৎসাহ জোগানো ভর্তুকি ও অন্যান্য প্রণোদনা বন্ধ করা ছিল সবচেয়ে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর একটি। গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের আন ল্যামব্রেখটস জানান যে সম্মত সিদ্ধান্তের ভাষা দুর্বল হলেও ক্ষতিকর আর্থিক প্রণোদনা মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক গতি তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রকৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগে অর্থায়নের জন্য নতুন উৎস খুঁজে বের করা নিয়েও পৃথক বিরোধ দেখা দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনসহ তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে বৈশ্বিক প্রকৃতি সংরক্ষণ উদ্যোগে অর্থায়নের আহ্বান জানায়। এছাড়া বিলিয়ন ডলারের করপোরেট অনুদান সংগ্রহের প্রত্যাশায় গঠিত ক্যালি ফান্ড-এর কাঠামো নিয়ে অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোরও কোনো নিষ্পত্তি হয়নি।

সম্মেলনে শনিবার ভোরে গোপন ভোটে পানামাকে পরাজিত করে ২০২৮ সালে পরবর্তী জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের আয়োজক নির্বাচিত হয় ইকুয়েডর। তবে প্রকৃতির ওপর মানবজাতির ধ্বংসাত্মক প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় সম্মেলনের ফলাফল নিয়ে হতাশাও দেখা দিয়েছে। ফ্রান্সের পরিবেশগত রূপান্তরবিষয়ক মন্ত্রী মনিক বারবু বলেন যে প্রাপ্ত ফলাফল প্রাকৃতিক জগৎকে ঘিরে থাকা সংকটের তুলনায় যথেষ্ট নয়।

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বৈজ্ঞানিক বিষয়ে বিরল এক বিরোধ সম্মেলনের পরিবেশ ম্লান করে দেয় কারণ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন অনুমোদনের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ ওঠে। সুইজারল্যান্ডের আলোচক গ্যাব্রিয়েলা ব্ল্যাটার বলেন যে রাজনৈতিক কারণে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রশ্নবিদ্ধ করার ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন এবং বিজ্ঞান নিয়ে কোনো আপস হতে পারে না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রকৃতির সুরক্ষায় ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে নতুন অঙ্গীকার
0:00 / 0:00
1x