তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে এখনো আস্থার সংকট
ফিরে দেখা দুই দশক পর প্রধান উপদেষ্টা পদ নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগের রায়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়। তবে আদালত স্পষ্ট করেন, পুনর্বহাল হওয়া বিধান অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে যাওয়ার পরই প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যাবে।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হয়। একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে বৈধ ভোটের প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ শতাংশ সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের পক্ষে পড়ে। কিন্তু সংস্কার বাস্তবায়ნის প্রক্রিয়া নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
২০০৬ সালে প্রধান উপদেষ্টা পদে কে এম হাসানের নিয়োগ নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছিল। এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নীতিগত ঐকমত্য থাকলেও প্রধান উপদেষ্টা বাছাইয়ের পদ্ধতি নিয়ে এখনো ঐকমত্য হয়নি। জুলাই সনদে সংসদীয় বাছাই কমিটির মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের প্রস্তাব রয়েছে।
প্রকাশ্য দিবালোকে লগি-বইঠা দিয়ে পেটানোর দৃশ্যের সেই রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবরের ২০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজনৈতিক সহিংসতার সেই ভয়াবহ দৃশ্য দেশকে স্তম্ভিত করেছিল। সেদিন পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকা পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে এবং সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন পাঁচজন।














