বীমা খাতে অর্থপাচার রোধে বিএফআইইউর কড়া নির্দেশনা
অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে দেশের সব বীমা কোম্পানিকে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। সোমবার ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বিদ্যমান আইনের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে এসংক্রান্ত নিজস্ব নীতিমালা তৈরি ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই ইউনিটের প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা বা ক্যামেলকো হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় কৌশল প্রণয়ন করবেন। এছাড়া প্রধান নির্বাহীর পর্যবেক্ষণসহ এই কমপ্লায়েন্স প্রতিবদনের অনুলিপি প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিএফআইইউর কাছে পাঠাতে হবে।
গ্রাহক শনাক্তকরণ ও লেনদেন পর্যবেক্ষণে ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বেনামি অ্যাকাউন্টে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং বা এমএফএস ছাড়া একদিনে ১০ লাখ টাকা বা তদূর্ধ্ব নগদ লেনদেনের তথ্য পরবর্তী মাসের প্রথম সাত কার্যদিবসের মধ্যে জানাতে হবে। পলিসি বন্ধ বা দাবি নিষ্পত্তির পর কেওয়াইসিসহ সব নথিপত্র ন্যূনতম পাঁচ বছর নিরাপদে সংরক্ষণ করতে হবে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।










