উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মিরপুরে যুব মহিলা লীগের নেত্রীকে নির্যাতন করা হয়েছে দাবিতে ফেসবুকে পিঠে আঘাতের চিহ্নের একটি ছবি ছড়িয়েছে। শুক্রবার দিনভর অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে এ প্রচার চালানো হয় এবং থানায় ওসির সঙ্গে কথোপকথনের বর্ণনা দেওয়া হয়। প্রথম আলোর যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করা হয়েছে এবং পুলিশ জানিয়েছে এমন কোনো অভিযোগ আসেনি।
পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, শ্রীময়ী রীতা রানী নামের ওই নেত্রীকে হিন্দু ও সুন্দরী হওয়ার কারণে বাসায় ঢুকে নির্যাতন করা হয়েছে। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এর জন্য দায়ী করা হলেও তাঁর পরিচয় নিয়ে বর্ণনায় অমিল পাওয়া যায়। নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনসহ অনেকেই এই পোস্ট শেয়ার করেন।
সিন্থআইডি, ওপেনএআই এবং হাইভ মডারেশনের মাধ্যমে যাচাই করে ছবিটিতে এআই ব্যবহারের সত্যতা মিলেছে। যুব মহিলা লীগ জানিয়েছে তাদের সংগঠনে কোনো ‘সংগঠক’ পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি ও ডিসি নিশ্চিত করেছেন যে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বা কেউ অভিযোগ নিয়ে থানাতেও আসেননি।
অভিযোগে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ জানান তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না এবং তাঁকে নিয়ে মিথ্যা খবর ছড়ানো হয়েছে। ছবিটি পোস্টকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা অন্যের পোস্ট কপি করার কথা স্বীকার করেন। ঘটনার কোনো সত্যতা বা ওই নারীর কোনো অস্তিত্বও পাওয়া যায়নি।