উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে খেলোয়াড়দের উন্নয়ন এবং তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত প্রথম ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভালের ই-টায়ারে রানার্সআপ হওয়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দেওয়ার সময় তিনি এই কথা জানান। প্রথমবারের মত আয়োজিত এই আসরে ১৯১টি দেশের মধ্যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ ১৩০তম স্থান অর্জন করেছে এবং অনুষ্ঠানে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের প্রত্যেক সদস্যকে এক লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়।
সুস্থ জাতি গঠন এবং তরুণদের মাদকাসক্তি ও অতিরিক্ত ডিভাইস আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে আমিনুল তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা জানান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে খেলার মাঠ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েছে মন্ত্রণালয় এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এক হাজার মাঠের মূল্যায়ন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তা ও পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার এবং পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হবে।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির প্রথম আসরে নির্বাচিত ৪০ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের মধ্যে ১২ জন ছেলে ও ২৮ জন মেয়েকে আগামী জানুয়ারি থেকে বিকেএসপিতে ভর্তি করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত তাদের সাধারণ শিক্ষা ও বিশেষায়িত ক্রীড়া প্রশিক্ষণের সব ব্যয় সরকার বহন করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই পর্যায়ে ম্যাচের ফল বা জয়-পরাজয় গৌণ উল্লেখ করে তিনি বলেন যে তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো এই প্রতিভাবান তরুণদের গড়ে তুলে বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।