উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। বিজিএমইএর উপদেষ্টা এবং ১৪ বারের এনআরবি-সিআইপি কাজী সারওয়ার হাবিব স্থানীয় সময় বুধবার বিকেলে টোকিওর নিউ ওতানি হোটেলে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। জাপানে চল্লিশ বছর ধরে বসবাসকারী এই ব্যবসায়ী জানান, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বর্তমানে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
জাপান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক আমদানিকারক দেশ হিসেবে প্রতি বছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করে। কাজী সারওয়ার হাবিব উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বমানের পোশাক তৈরি করলেও জাপানের বাজারে এখন পর্যন্ত মাত্র ১.৪ বিলিয়ন ডলার রফতানি করতে পেরেছে। এ বছর বিজিএমইএ-তে জাপান ডেস্ক ওপেন হয়েছে এবং ৫২ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোনো জাপানি রাষ্ট্রদূত বিজিএমইএ ভিজিট করে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক কেনার আশা দিয়েছেন।
অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় প্রায় ৭,৩৯৮টি পণ্য বা রফতানি পণ্যের ৯৮ শতাংশ ট্যাক্স ফ্রি সুবিধা পাচ্ছে যা রফতানি আয় বাড়াতে সাহায্য করবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই জাপান সফরকে স্বপ্নের মতো উল্লেখ করে তিনি জানান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সাথে জাপানি ব্যবসায়ীদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এই সফরে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে যা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
জাপানি বিনিয়োগকারী ও বায়ারদের বাংলাদেশে ধরে রাখতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার তাগিদ দিয়েছেন এই ব্যবসায়ী নেতা। ইউনিক্লো ও মুজি-এর পক্ষ থেকেও কর্মরত জাপানি ও বাংলাদেশী কর্মীদের অনুপাত এবং ভিসা দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকারের উচিত প্রাইভেট সেক্টরের অভিজ্ঞদের সাথে নিয়ে এসব ছোটখাটো বাধা দ্রুত দূর করা।