উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মাত্র পাঁচ বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে এক ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যমানের জায়ান্টে পরিণত হওয়া স্টার্টআপ অ্যানথ্রোপিক এবার শেয়ারবাজারে রেকর্ড গড়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বীদের দ্রুত অগ্রগতি, এআই সেবার মূল্যপতন এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয় কোম্পানিটির এ পরিকল্পনার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি সোমবার প্রকাশিত শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রস্তাবসংক্রান্ত নথিতে এসব ঝুঁকির কথা তুলে ধরেছে।
প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে প্রতিটি নতুন ক্লদ মডেলকে আগেরটির চেয়ে বড় করতে হচ্ছে এবং বেশি তথ্য ও কম্পিউটিং ক্ষমতার সাহায্যে প্রশিক্ষণ দিতে হচ্ছে। ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি চিপ ও সার্ভার ভাড়া নেওয়ার জন্য অন্তত ৪১৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অ্যানথ্রোপিক সতর্ক করেছে, ব্যবসার অবস্থা যেমনই হোক, এসব চুক্তির বিপরীতে অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা বহাল থাকবে।
উন্মুক্ত এআই মডেলগুলো এখন ক্লদ বা চ্যাটজিপিটির মতো নিয়ন্ত্রিত মডেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং এআইয়ের খরচ ২০২৪ সালের শেষ দিকে ১৭ ডলার থেকে কমে বর্তমানে ৫০ সেন্টে নেমেছে। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান মডেল ‘ক্লদ ওপাস ৫.৫’-এর তুলনায় চীনা প্রতিষ্ঠান মুনশটের ‘কিমি কে৩.১ প্রো’-এর খরচ অর্ধেক। অ্যানথ্রোপিক স্বীকার করেছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাও প্রতিযোগিতায় কিছুটা বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
মর্নিংস্টারের জ্যেষ্ঠ শেয়ারবাজার বিশ্লেষক মালিক আহমেদ খান বলেন, এআই ব্যবহারের বর্তমান প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দাম ৯০ শতাংশ কমলেও এ খাতে মোট ব্যয় কমবে না। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আশঙ্কা করছে, এআই খাত প্রত্যাশার তুলনায় কম লাভজনক হলে পরস্পর-সম্পর্কিত এসব বিনিয়োগ থেকে তিনমুখী আঘাত আসতে পারে। ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস।