উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলের মূল কথা হলো প্রচারে নিজেকে সামনে রাখা। তবে জনমত জরিপে তার জনপ্রিয়তা ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় এ কৌশল রিপাবলিকানদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। আগামী ৩ নভেম্বরের ভোট সামনে রেখে গত এক মাস ধরে প্রচারাভিযানে ঝড় তুলেছেন ট্রাম্প এবং দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন। জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক পিটার লোগে এএফপিকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প বিশ্বাস করেন রিপাবলিকানদের সব সমস্যার সমাধান তার হাতেই রয়েছে।
মিশিগানে ডেমোক্র্যাটদের মুসলিম ও বামপন্থী সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে তিনি জিহাদি আখ্যা দিয়েছেন এবং অন্য এক প্রার্থীকে নিয়ে অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করেছেন। ডেমোক্র্যাটদের কমিউনিস্ট বলা ছাড়াও সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আক্রমণ জোরদার করেছেন তিনি। ট্রাম্পের কট্টর সমর্থকেরা এসব বক্তব্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও সাধারণ রিপাবলিকান ভোটাররা এতে বিরক্ত হতে পারেন। ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিতে অনিচ্ছুক হলেও তারা ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানরা ধরে রাখতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫ হাজার ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে এ অর্থ দেওয়া আইনসম্মত হবে কি না এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় এক ট্রিলিয়ন ডলার কোথা থেকে আসবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ মার্কিনিই সন্দেহ করছেন যে তারা আদৌ এ ৫ হাজার ডলার পাবেন। এছাড়া ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির উচ্চমূল্যে ক্ষতিগ্রস্ত ভোটারদের জন্যও বিভিন্ন সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।
মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো নির্বাচনের পর তিনি কী করবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করা। সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ভোট জালিয়াতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার মতো তথ্য দিলে এক মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যেভাবে ফল চ্যালেঞ্জ করেছিলেন, এবারও একইভাবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানাবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঢাকা থেকে ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস এ খবর জানিয়েছে।