উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এপেক সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের সমবেত হওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। ট্রাম্প বারবার আগ্রহ প্রকাশ করলেও পিয়ংইয়ং এখনো এ বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছে এবং বিশেষজ্ঞরা এমন বৈঠকের সম্ভাবনা এখনো ক্ষীণ বলে মনে করছেন। গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন আগামী মাসে এশিয়া সফরের সময় কিমের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে এবং এমন বৈঠক রোমাঞ্চকর হবে।
কিউংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিম উল-চুল এএফপিকে জানান যে তিনি এই বৈঠকের সম্ভাবনা প্রায় দেখতেই পাচ্ছেন না এবং কিম জং উনের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি বজায় রাখাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে তিনবার কিমের সঙ্গে বৈঠক করলেও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। এরপর থেকে উত্তর কোরিয়া তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের কাজ অব্যাহত রেখেছে এবং পিয়ংইয়ং বারবার স্পষ্ট করেছে যে তারা আর পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত নয়।
রাশিয়ার কাছ থেকে তাৎক্ষণিক সুবিধা পাওয়ায় কৌশলগত গতিপ্রবাহ এখন কিমের অনুকূলে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে সহায়তা করতে সেনা ও অস্ত্র পাঠানোর মাধ্যমে কিম রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন যা জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার চাপ মোকাবিলায় সাহায্য করেছে। ঢাকা থেকে বাসস জানায় ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের এই প্রতিবেদনে বলা হয় উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি টানা তৃতীয় বছরের মতো ৩ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।