উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অংশ নিয়ে বিতروের মুখে পড়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছেড়েছেন ইশরাক হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, বিএনপি ও সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে তার এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্যদের আচরণ ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি, বিতর্কিত বক্তব্য ও রাজনৈতিক চাপের মুখে মন্ত্রীদের পদত্যাগের নজির রয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘটনা ঘটে ১৯৭৩ সালে, যখন ত্রাণমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরীর পদত্যাগ বেশ আলোচিত হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণসামগ্রী বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর বঙ্গবন্ধু তাকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর ১৯৭৪ সালে নীতিগত বিরোধের কারণে তাজউদ্দীন আহমদও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ও এরশাদের আমলেও নানা রাজনৈতিক সমীকরণ ও বিতর্কের জেরে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদচ্যুত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলেও তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সৈয়দ আবুল হোসেন, লতিফ সিদ্দিকী ও মুরাদ হাসানের মতো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগ বা অপসারণের ঘটনা ঘটে। তবে এসবের বাইরে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অভিযান চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব ছাড়ার কোনো পূর্বনজির ছিল না। সেই দিক থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।